ঢাকাশনিবার , ২৫ এপ্রিল ২০২৬
আজকের সর্বশেষ সবখবর

আদালতের নির্দেশ ও পুলিশের বাঁধা অমান্য করেই চলছে স্থাপনা নির্মান

ক্রাইম টাইমস রিপোর্ট
এপ্রিল ২৫, ২০২৬ ২:০০ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

সংবাদটি শেয়ার করুন....
১৬৪

নিজস্ব প্রতিবেদক :: আদালতে দায়ের করা মামলা এবং ১৪৪/১৪৫ ধারার নির্দেশ অমান্য করে ও থানা পুলিশের একাধিকবারের বাঁধা উপেক্ষা করে অন্যের ক্রয় করা জমি জবরদখল করে প্রবাসীর বিরুদ্ধে পাকা বিল্ডিং নির্মানের কাজ অব্যাহত রাখার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

প্রভাবশালীদের হাত থেকে নিজের ক্রয়কৃত জমি উদ্ধারের জন্য প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ক্রয়সূত্রে জমির মালিক মো. নুর হোসেন তালুকদার। ঘটনাটি বরিশালের গৌরনদী উপজেলার কাসেমাবাদ গ্রামের।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) দুপুরে নুর হোসেন তালুকদার জানিয়েছেন, একই এলাকার মোতালেব তালুকদারের কাছ থেকে ১৯৭৯ সালে ও শাহ আলম তালুকদার গংদের কাছ থেকে ২০১৩ সালে তিনি হরিসেনা—কাসেমাবাদ মৌজার বিএস ৩৮৮২ দাগে মোট ৩.৩০ শতক জমি ক্রয় করেছেন। পরবর্তীতে কর্মের সুবাধে তিনি দীর্ঘ ২৯ বছর প্রবাসে কাটিয়েছেন।

অভিযোগ করে তিনি বলেন, এরইমধ্যে তার ক্রয় করা ওই জমি দখল করে নিয়েছেন প্রতিবেশী আজিজ আকন ও আনিস আকন। দখল করা ওই জমিতে সৌদি প্রবাসী আজিজের ছেলে শয়ন আকন ভাড়াটিয়া লোকজন নিয়ে অতিসম্প্রতি পাকা দালান ঘর নির্মানের কাজ শুরু করেন।

এসময় তিনি (নুর হোসেন) নির্মান কাজে বাঁধা প্রদান করে জমির কাগজপত্র নিয়ে স্থানীয়ভাবে সালিশ বৈঠকের আয়োজন করেন। সালিশ বৈঠকের সিদ্ধান্ত অমান্য করে শয়ন তার ভাড়াটিয়া লোকজন নিয়ে পাকা বিল্ডিংয়ের নির্মান কাজ অব্যাহত রাখেন।

নুর হোসেন তালুকদার আরো বলেন, উপায়অন্তুর না পেয়ে তিনি আদালতে মামলা দায়েরসহ ওই জমির ওপর ১৪৪ ও ১৪৫ ধারা জারি করান। পরবর্তীতে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বিল্ডিং নির্মানের কাজ বন্ধ করে দেয়ার পরেও প্রবাসী আজিজ ও আনিস তাদের লোকজন দিয়ে দিন—রাত সমানভাবে নির্মান কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। বিষয়টি জানতে পেরে তিনি (নুর হোসেন) ঘটনাস্থলে পৌঁছে নির্মান কাজে বাঁধা প্রদান করায় শয়ন ও তার ভাড়াটিয়া লোকজনে তাকে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতিসহ প্রাননাশের হুমকি প্রদর্শন করে।

বিষয়টি থানা পুলিশকে জানানোর পর পুলিশ কয়েক দফায় ঘটনাস্থলে গিয়ে নির্মান কাজ বন্ধ করে দেয়ার পরেও রহস্যজনকভাবে আদালতের নির্দেশ অমান্য করেই শয়ন তার ভাড়াটিয়া লোকজনের সহযোগিতায় দখল করা জমিতে নির্মান কাজ অব্যাহত রেখেছে। ফলে ক্রয়সূত্রে জমির মালিক নুর হোসেন তালুকদার তার ক্রয়করা জমি ফিরে পেতে প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এ ব্যাপারে অভিযুক্ত শয়ন আকনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোন বক্তব্য দিতে রাজি না হননি।

তবে গৌরনদী মডেল থানার ওসি মো. তারিক হাসান রাসেল জানিয়েছেন, আদালতের নির্দেশে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে বিরোধীয় জমিতে নির্মানাধীন পাকা দালানের কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এরপরেও যদি কেউ নির্মান কাজ চালিয়ে যায়, তাহলে সেই অনুযায়ী আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।